সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচি

একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি জীবনেরই ক্ষতি করে না, ধ্বংস করে দেয় তার সাথে জড়িয়ে থাকা একটি পরিবারের স্বপ্ন-আশা। আর ডুবিয়ে দেয় হতাশার অতল সাগরে। তাই দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচি পালন করেছেন এক ঝাঁক তরুণ ও তরুণী। ফুটওভার ব্রিজ করলে ব্যবহারে নিরাপদ জীবন হবে আপনার এই বার্তা নিয়ে শাহবাগে সচেতনতামূলকত কর্মসূচি পালন করেন তারা।

‘সে ইয়েস টু চেন্জ (পরিবর্তনের পক্ষে কথা বল) এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আর্ন্তজাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন আওয়ারনেস 360 এর পক্ষ থেকে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শাহবাগে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

‘শেয়ারিং হ্যাপিনেস’ নামে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একঝাঁক তরুন স্বেচ্ছাসেবী এতিম ব্যস্ত পথচারীদের সাথে কথা বলেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ, শিশু। তারা সবাই রাস্তায় চলাচলরত পথচারীদের ওভার ব্রিজ ব্যবহার সম্পর্কে, অসাবধানতাবসত রাস্তা পারাপার, দুর্ঘটনা এবং দুর্ঘটনা পরবর্তী ঐ ব্যক্তি এবং তার পরিবারের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন, যারা ওভারব্রিজ ব্যাবহার করেন তাদের গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, তাদের প্রিয়জনকেও যাতে সচেতন করে সে ব্যাপারে কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংস্থাটির ঢাকা জেলার বেশ কয়েকজন কোর মেম্বার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাবিলা সুলতানা লিজা। তিনি বলেন, সুস্থ থাকতে হলে সচেতনতার বিকল্প নেই। আমরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার খবর পাই এবং আঁতকে উঠি। আমাদের একটু সচেতনতাই পারে আমার এবং আমার পপরিবারের নিরাপত্তা দিতে। আমরা চাই ভাল থাকুক সকল ভালকাসার মানুষগুলো। আমরা সবাই যদি সমাজের একটু একটু করে ভাল কিছু করি তাহলে একদিন অবশ্যই সব সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাবো।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কর্মী আফছানা, হাফিজা, স্যালভিন, মামুন, রাজন, মনিষা ।

স্বেচ্ছাসেবক হাফিজা আক্তার বলেন, আজকের একটু সচেতনতা, একটু কষ্ট আগামীদিন আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই একটি সুন্দর জাতি গড়ার জন্য সবার সুস্থতা একান্ত কাম্য।

এক পথচারী তার অনূভুতি ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, আমার নিরাপত্তা রক্ষা আমার দায়িত্ব। একটু সময় বাঁচাতে গিয়ে আমি আমার জীবনটাকেই ঝুকিতে ফেলে দিচ্ছি।

উল্লেখ্য, আ্যাওয়ারনেস ৩৬০ সংস্থাটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, মঙ্গোলিয়া, মালেয়শিয়া, ভারত, পাকিস্তান, সোমালিয়িসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মালেয়শিয়া থেকে পরিচালিত এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সোমি হাসান চৌধুরী এবং রিজবী আরেফীন।

Main News Source: 

Leave a Reply

Your email address will not be published.